আমাদের কথা
বাংলাদেশের অন্যতম বিসিক শিল্পনগরী কোনাবাড়ী থানার একমাত্র উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজ। সারা দেশের ৬৪টি জেলার শ্রমিক শ্রেণি ও স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের ছেলে-মেয়েদের মানসম্মত শিক্ষার একমাত্র প্রতিষ্ঠান কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজ। স্বল্প আয়ের সাধারন মানুষের ছেলে মেয়েরা স্বল্প খরচে মানসম্মত আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির নির্ভর যুগোপযোগী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ার প্রত্যয়ে কলেজ গভর্ণিংবডি ও শিক্ষকমন্ডলী নিরন্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত বর্তমান সরকার অত্র কলেজে একটি আইসিটি ল্যাব-”শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব” স্থাপন করেন। উক্ত ল্যাব পরিচালনায় বিনামূল্যে WiFi সুযোগ প্রদান করায় আমরা সরকারের নিকট কৃতজ্ঞ। বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তবতা। শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে অনন্য ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে মনােরম প্রাকৃতিক পরিবেশে বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল কোনাবাড়ীর প্রাণকেন্দ্রে ১৯৯৫ খ্রি তৎকালীন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম.এ মান্নান সাহেবের নেতৃত্বে ৩৩ শতাংশ জমির উপর কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কেয়া কসমেটিক্স লিঃ এর স্বত্বাধিকারী জনাব আবুল খালেক পাঠানের আর্থিক সহায়তায় কলেজটি দীর্ঘদিন পরিচালিত হয়। কলেজ গভর্ণিংবডির সাবেক সভাপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী বীর মুক্তিযােদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাডঃ আ.ক.ম মােজাম্মেল হক, এমপি মহােদয়ের প্রচেষ্টায় কলেজে নতুন প্রানের সঞ্চার হয়। | আর্থিক, অবকাঠামােগত উন্নয়ন ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়। | সুপরিশর খেলার মাঠসহ আধুনিক স্থাপত্য শৈলিতে নির্মাণ করা দুটি চার তলা ভবনসহ অত্র এলাকার একটি অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে দল মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মানুষ কলেজ উন্নয়নে এগিয়ে আসে এবং আর্থিক সহযােগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ১৩৬ জন শিক্ষানুরাগী মহান ব্যাক্তি পঞ্চাশ হাজার টাকা করে প্রায় আশি লক্ষ টাকা এককালীণ অনুদান দিয়ে আজীবন দাতা সদস্য হন। মাননীয় মন্ত্রী মহােদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমােদনক্রমে অত্র কলেজের নামে নামমাত্র মূল্যে (১,০০১/-) ষাট শতাংশ জমি অত্র কলেজের নামে বরাদ্দ দেন। যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গাজীপুর জেলা প্রাশাসক মহােদয় ২৭ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে রেজিষ্ট্রি করে দেন। জমি বরাদ্দ পাওয়ার পরে কলেজের সুপরিশর সুন্দর মাঠটি এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে কলেজের একটি নিজস্ব রাস্তা নির্মান করা হয়। | তাছাড়া মাননীয় মন্ত্রী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করে দেন এবং ২০১২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলেজটিতে স্নাতক (পাস) | শিক্ষাক্রমের বি.এস.এস এবং বি.বি.এস কোর্সের অধিভূক্তি লাভ করে। তাছাড়া ২০১৭ সনে স্নাতক (সম্মান) কোর্সের হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, সমাজকর্ম ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্তি লাভ করে। বর্তমানে কলেজটি স্নাতক (পাস) পর্যন্ত এমপিওভুক্ত। গভর্ণিংবডির সুযােগ্য পরিচালনা, সঠিক নিয়ম শৃংখলা, শিক্ষকদের আন্তরিক ও আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি ক্লাস টেস্ট, মাসিক মূল্যায়ন, প্রতিদিন অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে অভিভাবকদের অবহিত করনসহ নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণের কারনে উচ্চ মাধ্যমিক, স্বাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর ভাল ফলাফল করে আসছে। বর্তমানে কলেজটি উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে প্রায় ২৫১২ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত আছে। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর এম.এ মান্নানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠাতা সদস্যবৃন্দ, জমিদাতাবৃন্দসহ অন্যান্য সম্মানিত বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ যারা কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন তাদের সকলের নিকট কলেজ পরিবার যেমন ঋণি, তেমনি একটি জড়াজীর্ণ বস্তি, জুটের গোডাউন, জঙ্গলাকীর্ণ, উচ্চমাধ্যমিক কলেজকে দৃষ্টিনন্দন, আধুনিক, স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) কলেজে উন্নীতকরণসহ সার্বিক উন্নয়ণের জন্য মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, এমপি মহোদয়সহ বিভিন্ন সময়ে গভর্ণিংবডির সদস্য থেকে কলেজের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন তাঁদের সকলের নিকট কলেজ পরিবার ঋণি। সকলের সহযােগিতায় অত্র কলেজটি গাজীপুরের মধ্যে একটি অনন্য আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে ইনশাল্লাহ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
লক্ষ্যঃ প্রাথমিক শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহারের মাধ্যমে শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ার উন্নয়ন তথ্য শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করা। সেই সাথে শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করা। উদ্দেশ্যঃ- * শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষকদের সম্যক ধারণা দেয়া। * আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। * শ্রেণিকক্ষে ব্যবহারের উপযোগী করে কিছু সহজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিভিত্তিক উপকরণ (কনটেন্ট) তৈরি করতে সক্ষম করে তোলা। * আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের বিকাশ ঘটানো। * অনলাইন রিসোর্স ব্যবহারে শিক্ষকদের দক্ষ করে তোলা। * শ্রেণিকক্ষে ও পেশাগত জীবনে প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
Institute Location Google Map
আমাদের শিক্ষকবৃন্দ
সংবাদ ও ঘটনাবলী
https://www.youtube.com/@konabaridegreecollege2117